Categories
রাজনীতি

আ.লীগ সবার আগে হাত দিয়েছে বিচার বিভাগে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিচার বিভাগ দলীয়করণের কারণে বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না।

আজ শুক্রবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চ প্রাঙ্গণে এক ইফতার মাহফিলে বিএনপি মহাসচিব এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দেশে একটা ছদ্মবেশী একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সে জন্যই তারা একে একে সব স্বাধীন প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে ফেলেছে। সবার আগে তারা হাত দিয়েছে বিচার বিভাগে

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারা বিচার বিভাগকে দলীয়করণ করে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের যে রায়গুলো হয়, সেগুলো হয়ে যাচ্ছে একেবারে জনগণের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে। তারা ন্যায়বিচার পাচ্ছে না।’
এ প্রসঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার কথা উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, জোবায়দা রহমান, যিনি রাজনীতির সঙ্গে কখনোই সম্পৃক্ত ছিলেন না, তাঁর বিরুদ্ধেও দুদক একটা মিথ্যা মামলা দিয়েছে। সেই মামলার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা মনে করি, এটা অত্যন্ত বেআইনি কাজ। এটা শুধু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নয়, বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।’
সারা দেশে একটা গণতন্ত্রহীন অবস্থা বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার অভিযোগ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণকে একটা অন্ধকার গহ্বরের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘তিন বছর আগে ১৮ কোটি মানুষের নয়নের মণি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের সঙ্গে ইফতার করেছেন। আজকে এই ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে তাঁকে অন্তরীণ করে রাখা হয়েছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নির্বাসিত করে রাখা হয়েছে। আমাদের ৩৫ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ছয় শতাধিক নেতা-কর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে, সহস্রাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।’

এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে নেতা-কর্মীসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ইফতার অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। এর আগে অনুষ্ঠানে দলের গুম ও খুনের শিকার হওয়া নেতাদের পরিবারের সদস্যরাও বক্তব্য দেন।

ইফতারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান; কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ, শাহিদা রফিক, তাহসিনা রশদীর, শামা ওবায়েদ, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী, আফরোজা আব্বাস, সদ্য কারামুক্ত ইশরাক হোসেন; গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মন্টু; নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না; গণ অধিকার পরিষদের রেজা কিবরিয়াসহ ২০–দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।

Categories
রাজনীতি

বিএনপির ইফতারে আসেননি চীন-রাশিয়ার কূটনীতিকরা

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হামলার বিরোধিতা করে বক্তব্য-বিবৃতি দিয়েছে বিএনপি। কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রশংসা করায় চীনের সমালোচনা করে বিবৃতি দেয় দলটি।
এদিকে, ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে ইফতার করেছেন বিএনপি মহাসচিবসহ দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে এই ইফতার পার্টির আয়োজন করে দলটি।

বিএনপির এই আয়োজনে চীন ও রাশিয়ার কোনো কূটনীতিক আসেননি। এ ছাড়া সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, আরব আমিরাত, ওমান ও বাহরাইনের মতো মুসলিম দেশগুলোর কোনো প্রতিনিধিকে দেখা যায়নি।
অনুষ্ঠানে কূটনীতিকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে লন্ডন থেকে স্কাইপের মাধ্যমে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। স্বাগত বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আগে সব সময় দলের চেয়ারম্যান খালেদা জিয়া আপনাদের সাথে ইফতারে করতেন। তিনি আজ গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন। ‘

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্দ্রা বার্গ ফন লিন্ড, তুর্কির রাষ্ট্রদূত মুস্তফা ওসমান তুরান একই টেবিলে বসে ইফতার করেন।

Categories
রাজনীতি

নাটক করতেই বিএনপি দুদকে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা যখন দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে তখন মানুষের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। সত্যিকার অর্থে বিএনপি নাটক করতেই দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকে গেছে। সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পিআইবি সোহেল সামাদ সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০২০ প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকরা সরকারের উচ্চপদস্থদের বিরুদ্ধে দুদকে বিএনপির অভিযোগ দাখিল করা নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, আমি টেলিভিশনে দেখলাম, দুর্নীতিতে যারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো তাদের পক্ষ থেকে আলাল-দুলালরা দুদকে গেছেন। আমি মনে করি দুদক বরং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হাওয়া ভবনের মাধ্যমে যে লুটপাট হয়েছে এবং তাদের কারণে কিভাবে দেশ দুর্নীতিতে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সে তথ্যটা পাবে।

এসময় মুন্সিগঞ্জের বিজ্ঞানশিক্ষক হৃদয় মন্ডলের বিষয়ে প্রশ্ন করলে ড. হাছান তার জামিনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, হৃদয় মন্ডলের পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত দু:খজনক, অনভিপ্রেত। তিনি জামিনে মুক্তির পরও বলেছেন তার বিরুদ্ধে সেখানকার শিক্ষকদের একটি আভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র হয়েছে। আমি মনে করি এর পেছনে আরো কারো হাত থাকতে পারে। বিএনপি মহাসচিব পাকিস্তানের নির্বাচন পদ্ধতিকে গণতন্ত্রের আদর্শ বলেছেন -এবিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা এতোদিন ধরে বলে আসছিলাম বিএনপি এবং তার মিত্রদের কাছে পাকিস্তানই হচ্ছে আদর্শ।

তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান চেয়েছিলেন দেশটাকে পাকিস্তানের সাথে কনফেডারেশন করতে, কিন্তু পারেন নাই। তারা যে এখনো পাকিস্তানকে অনুসরণ করেন, দেশটাকে পাকিস্তানি ভাবাদর্শে নিয়ে যেতে চান, সেটি মির্জা ফখরুল সাহেব গতকাল খোলসা করেছেন। এর আগে সম্প্রচারমন্ত্রী সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসানের হতে পিআইবি- সোহেল সামাদ পুরস্কার ২০২০ এর সম্মাননা স্মারক, অভিজ্ঞানপত্র ও চেক তুলে দেন। ড. হাছান তার বক্তব্যে সৈয়দ বদরুল আহসানকে অভিনন্দন জানান এবং ১৯৯৯ সাল থেকে সাংবাদিকতায় এই পুরস্কার প্রবর্তনের জন্য প্রয়াত সাংবাদিক সোহেল সামাদের পরিবারকে এবং সহযোগিতার জন্য পিআইবিকে ধন্যবাদ দেন। তিনি বলেন, গুণী সাংবাদিক তৈরি করার ক্ষেত্রে এ ধরণের পুরস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেন, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট- পিআইবি’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, পিআইবি-সোহেল সামাদ পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। সৈয়দ বদরুলের সহধর্মিণী সৈয়দা জাকিয়া ও পিআইবি কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন। ১৯৫৪ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণকারী সৈয়দ বদরুল আহসান তার চার দশকের সাংবাদিকতায় এশিয়ান এজ, নিউ নেশন, মর্নিং সান, বাংলাদেশ অবজারভার, ইনডিপেনডেন্ট, নিউজ টুডে এবং ডেইলী স্টার পত্রিকায় কাজের পাশাপাশি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, সাউথ এশিয়া মনিটরসহ বিভিন্ন দেশের সংবাদপত্রে নিয়মিত কলাম লিখেছেন।

১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল অবধি লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে প্রেস মিনিস্টারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ফ্রম রিবেল টু ফাউন্ডিং ফাদার: শেখ মুজিবুর রহমান, গ্লোরি এন্ড ডিসপেয়ার: দ্য পলিটিকস অভ তাজউদ্দীন আহমেদ, দ্য হিস্ট্রি মেকারস ইন আওয়ার টাইমস তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

Categories
রাজনীতি

‘আকবর আলী খানও বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান বিএনপি করেন না। কিন্তু তিনিও বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আব্দুল হামিদ খান ভাসানী বিরচিত ‘মাও সে-তুঙ এর দেশে’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে তিনি এ কথা বলেন। কবি আব্দুল হাই শিকদার এই বই সম্পাদনা করেন।

বিতর্ক প্রতিযোগিতার একটি অনুষ্ঠানে আকবর আলি খান বলেন, রাজনৈতিক সরকারের অধীন নির্বাচন হলে নির্বাহী বিভাগ ক্ষমতাসীনদের নির্দেশনার বাইরে যেতে পারে না, এমনকি তারা ভবিষ্যৎ বেনিফিট (সুবিধা) নেয়ার চিন্তা করে। তাই বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থায় শুধু নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়।
বিএনপি নির্বাচনমুখী দল উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচনে বিশ্বাস করি। সেই নির্বাচনে যদি আমরা যেতে চাই তাহলে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দরকার হবে। পাকিস্তানে এতো টালমাটাল।

এরপরও ওখানে নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
আওয়ামী লীগ কেন মাওলানা ভাসানীকে স্বীকার করে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। অথচ তারা মাওলানা ভাসানীকে একবারের জন্যও স্বীকার করতে চায় না। মাওলানা ভাসানী বাংলাদেশের গরিব দুঃখী, মেহনতি মানুষের জন্য তার সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মুক্তির একটাই মাত্র পথ আছে সামনে খোলা। সেটা হলো মওলানা ভাসানী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ বাংলাদেশ সৃষ্টিতে যাদের অবদান আছে তাদের স্মরণ করে, তাদের পথে গিয়ে একটা ঘটনা ঘটাতে হবে। চীনের মতো একটা বিপ্লব আমাদের গড়ে তুলতে হবে। তাতে হয়তো সমস্ত মানুষের মুক্তির পথ হবে না, কিন্তু জাতীয় মুক্তির পথ তৈরি করা হবে।
‘ক্ষমতাসীনদের শোষণ আর লুণ্ঠনে দেশে দুঃসহ এক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে; যা সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে’ মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা সাদামাটাভাবে যেটা বুঝি, এখন দুঃসময়, যা আর সহ্য করা যাচ্ছে না। অস্বাভাবিক, দুঃসহ একটা যন্ত্রণা এখন বাংলাদেশে। এরকম যন্ত্রণা থেকে মানুষ মুক্তি চায়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের আজ মুক্তির পথটাকে খুঁজে বের করতে হবে। প্রথম যে দরকারটা হচ্ছে আমাদের অধিকারটাকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই অধিকারটাকে আমরা পরিষ্কার করতে চাই। আমরা নির্বাচনে বিশ্বাস করি। সেই নির্বাচনে যদি যেতে চাই, তাহলে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন দরকার।

‘নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশকে বাসযোগ্য করতে হবে’ মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, তাদের হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। খেটে খাওয়া মানুষদের অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে। নতুন চিন্তা আনতে হবে। এখন সমাজতন্ত্রের কথা কেউ বলে না। সমাজতন্ত্র খুঁজে পাওয়া যায় না। সব চিন্তার এখন পরিবর্তন হতে চলেছে। এখন চায়নাতেও এখন তারা বলছে, কমিউনিজম উইথ চাইনিজ ক্যারেক্টারিস্টিক্স।
বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট কালচারাল ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন হুমায়ুন কোভিদ ব্যাপারী। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী।

Categories
রাজনীতি

যারা সরকারের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে তারাই শুধু জোটে ভোট দেবে

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে। যারা সরকারের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে তারাই শুধু সরকারি জোটে ভোট দেবে। আর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে নির্যাতিত-নিপীড়িত বিশাল জনগোষ্ঠি বিরোধী জোটে ভোট দেবে। তাই জাতীয় পার্টির অবস্থান পরিষ্কার। জাতীয় পার্টি সাধারণ মানুষের কাতারে নেতৃত্ব দেবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জাতীয় পার্টির প্রতি অবিচার করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জাতীয় পার্টির জন্য লেভেল প্লেইং ফিল্ড ছিল না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার শুধু আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জন্য লেভেলে প্লেইং ফিল্ড তৈরি করে। আবার নিজেদের ইচ্ছে মত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করতে চেয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। তাই আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় বিশ্বাস করি না।

রবিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারের মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সেন্টুর সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম পাঠানের পরিচালনায় ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, উপস্থিত ছিলেন কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, এসএম ফয়সল চিশতী, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পেশি শক্তি, অর্থ আর প্রশাসন ব্যবহার করে নির্বাচন ব্যবস্থা কলুষিত করেছে। যদি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে আলোচনার প্রস্তাব আসে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে মতামত দেবো।

Categories
রাজনীতি

গণভবন অভিমুখে সোহেল তাজের পদযাত্রা

৩ দফা দাবি নিয়ে পায়ে হেঁটে গণভবন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
সংসদ ভবনের সামনে (মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ) থেকে আজ বিকাল ৪টায় হেঁটে গণভবনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

সোহেল তাজের দাবি তিনটি হলো:
১. ১০ এপ্রিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার গঠনের দিনটিকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ ঘোষণা করতে হবে।

২. ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করতে হবে।

৩. জাতীয় চার নেতাসহ মহান মুক্তিযুদ্ধের সব বেসামরিক ও সামরিক সংগঠক, পরিচালক, অমর শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাম, অবদান ও জীবনীসহ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস যথাযথ মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে সর্বস্তরের পাঠ্যপুস্তকে ও সিলেবাসে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।

Categories
রাজনীতি

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ব্যক্তিগত, সরকার বা দলের নয়: তথ্যমন্ত্রী

গণতন্ত্রকে সংহত করার জন্য, গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, কারা আসবে নির্বাচনে সেটি তাদের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে আওয়ামী লীগ বিদেশিদের কাছে ধরনা দিচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায় এবং বিএনপি যেহেতু বারবার বিদেশিদের কাছে সব বিষয় নিয়ে ধরনা দেয়, তার পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কথাটি বলেছেন। কোনো একটা কিছু হলেই বিদেশিদের কাছে চিঠি লেখেন। এমনকি বাংলাদেশে সাহায্য বন্ধ করার জন্য বিদেশে চিঠি লিখেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেগম খালেদা জিয়া নিজে নিবন্ধ লিখেছেন। বাংলাদেশকে সাহায্য বন্ধ এবং সাহায্য দেওয়া পুনর্বিবেচনা করার জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম নিজে চিঠি লিখেছেন কংগ্রেসম্যানদের কাছে। যেহেতু তারা যে কোনো বিষয় হলেই বিদেশিদের কাছে ধরনা দেয় তার পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেছেন। তবে এটি একান্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজস্ব বক্তব্য, আমাদের সরকারের কিংবা দলের কোনো বক্তব্য নয়।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের ট্রেন কখনো কারো জন্য অপেক্ষা করবে না। গণতন্ত্রকে সংহত করার জন্য যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ইশরাক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বিধায়। ২০১৯ সালের একটি বিস্ফোরক মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি আছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অন্যান্য মামলাও তার বিরুদ্ধে আছে, সেজন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কালকের মিছিলের সঙ্গে তার গ্রেপ্তারের কোএনা সম্পর্ক নেই। যারা জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন করেছিল এবং মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করার যারা হুকুমদাতা, তাদেরও গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপিকে নির্বাচন ভীতি পেয়ে বসেছে। শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন না, তারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও বর্জন করছে। এখন তাদের এই ভীতি দূর করার দায়িত্ব তো আমাদের নয়। তবে যারা গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, জনগণের রায়ে বিশ্বাস করে, তাদের জন্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। আমি আশা করবো, বিএনপি নির্বাচন ভীতি কাটিয়ে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

Categories
রাজনীতি

বিএনপির মিথ্যা কথা শুনে জনগণ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে : সেতুমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি কখনো জনকল্যাণকর কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেনি। এ কারণেই তারা লক্ষ্যহীন অকার্যকর ও ব্যর্থ রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।
আজ বুধবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতাদের অব্যাহত মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জনাতেই ওবায়দুল কাদের এই বিবৃতি প্রদান করেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি কখনো জনকল্যাণকর কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেনি। এ কারণেই তারা লক্ষ্যহীন অকার্যকর ও ব্যর্থ রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। বিএনপির কোনো প্রকার বক্তব্য জনগণ সমর্থন করে না। বিএনপির আসল উদ্দেশ্য যেনতেন উপায়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল। বিএনিপর কাছে দেশের জনগণের কল্যাণের চেয়ে ক্ষমতা দখলের রাজনীতিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতাদের নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রতিনিয়ত বাস্তবতাবর্জিত বক্তব্য ও মিথ্যাচার শুনে দেশের জনগণ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। গণতান্ত্রিক রীতি-নীতিকে ধারণ না করে বিএনপি নেতারা শুধু লিপ সার্ভিসের মাধ্যমে দূরভিসন্ধিমূলক রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। ’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বৈরশাসনের কথা বলে আজ জাতিকে নসিহত করার চেষ্টা করছেন! কিন্তু বাংলাদেশে স্বৈরশাসনের জনক অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমান। স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান জাতির পিতাসহ জাতীয় চার নেতার খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান ও স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদর যুদ্ধাপরাধীদের স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং দলছুট নীতিভ্রষ্ট নেতাদের নিয়ে টাকার বিনিময়ে বিএনপি নামক রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেছে। ’

তিনি বলেন, ‘জন্ম সূত্রেই সংবিধান ও গণতন্ত্রকে হত্যা করে যে দল সামরিক শাসন কায়েম করেছে তাদের মুখে স্বৈরশাসন শব্দটি মানায় না। বিএনপি হলো স্বৈরাচারের প্রতিভূ এবং খুনি, যুদ্ধাপরাধী, দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। বিএনপির ইতিহাস স্বৈরশাসনের ইতিহাস, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস, হত্যা-ক্যু ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের ইতিহাস, যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষকতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী রাজনীতির ইতিহাস, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও সিরিজ বোমা হামলার ইতিহাস, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের ইতিহাস, হাওয়া ভবন-খোয়াব ভবন খুলে দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। ’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ঐহিত্যগতভাবে গণতান্ত্রিক রীতি-নীতি ও আদর্শকে ধারণ করেই রাজনীতি করে। দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন ও কল্যাণই আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। আওয়ামী লীগ সরকার কখনো বিরোধী মতের প্রতি দমন-পীড়ন-নির্যাতনে বিশ্বাস করে না। বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হাতে আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী নির্যাতন-নিপীড়ন ও প্রাণহানির শিকার হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ওপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়েছে এবং রাজনৈতিকভাবে নির্মূল করতে চেয়েছে। সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে ১৯৯১-৯৬ ও ২০০১-০৬ সময়কালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন ও নিপীড়নের ভয়াবহ নজির স্থাপন করে।

তিনি বলেন, অপারেশন ক্লিনহার্টের মাধ্যমে বিএনপি বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দুর্বিষহ নির্যাতন চালায়। যারই ধারাবাহিকতায় বিএনপি-জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে নারকীয় গ্রেনেড হামলা সংঘটিত করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় অন্তত ১৯ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের আলোর দিশারি হয়ে সকল প্রতিবন্ধকতা জয় করে ও বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে বাঙালি জাতির অবিভাজিত স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে একসময়ের দুর্ভিক্ষকবলিত ও দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা তথা উন্নত-সমৃদ্ধ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিযাত্রায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

Categories
রাজনীতি

একটি মানুষও না খেয়ে নেই : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দারিদ্রতার হার কমেছে। ধানের উৎপাদন কমলেও দেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই, একটি মানুষও না খেয়ে নেই।

তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজবাড়ী পৌরসভা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বিপনন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন।

কৃষি সচিব সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় বিষেশ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি মো. জিল্লুল হাকিম, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি অ্যাড. খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন ও সালমা চৌধুরী রুমা, জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাহউদ্দিন, রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র মো. আলমগীর শেখ তিতুসহ অন্যান্যরা।

Categories
রাজনীতি

আওয়ামীলীগের লোকজন ছাড়া দেশে আর কেউ ভালো নেই : জিএম কাদের

দ্রব্যমূল্যের কারণে দলীয় উচ্চবিত্ত ছাড়া আর কেই ভালো নাই বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের।বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদের ১৭তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে বিরোধী দলীয় উপনেতা এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে দ্রব্যমূল্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে। যা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। বহির্বিশ্বে কিছু জিনিসের দাম বাড়লেও তার প্রভাব আমাদের দেশের বাজারে পড়ার কথা নয়। মানুষের গড় আয় বাড়লেও সব ক্ষেত্রে বৈষম্য বেড়েছে। বেকারত্বও বাড়ছে।
জিএম কাদের বলেন, উন্নয়নের নামে রাজধানী ঢাকা বসবাসের অযোগ্য করে ফেলা হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে উন্নয়নের কাজ করার কারণে রাজধানীতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। মানুষের ভোগান্তিকে পুঁজি করে কিছু সুবিধাভোগী মানুষ দুর্নীতি করে এই মেগা প্রজেক্ট থেকে সুবিধা নিচ্ছে।

এ সময় তিনি সড়ক দুর্ঘটনা, শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণের জন্য সরকারের কর্মকাণ্ডকে দায়ী করেন। সমন্বয়হীন এই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে পার্শ্ববর্তী দেশ শ্রীলঙ্কার মত অর্থনৈতিক অবস্থা বাংলাদেশে হবে কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।