Breaking News

চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার পায়ে ওসির গুলি, কেটে ফেলা হলো পা, বহাল তবিয়তে ওসি

মানুষ যখন কোনো অপরাধ ঘটায় তখন তার পিছনে কোনো না কোনো কারণ থাকে। কেউ করে পরিস্থিতির শিকার হয়ে আবার কেউ বা অভ্যাসগত কারণে নানারকম অপরাধ ঘটায়। মাআনুষ হলো বিচারবুদ্ধি সম্পন্ন প্রাণী। ভালো-মন্দ কাজের পার্থক্য বোঝার ক্ষমতা মানুষের আছে। সম্প্রতি জানা গেল চট্টগ্রাম চাঁদা না পেয়ে সেই ছাত্রদল নেতার পায়ে গুলি করেছিলেন ওসি।
২০২১ সালের জুন মাসে, চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। তার একটি পা কেটে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার এক বছর দুই মাস পর ওই ছাত্রদল নেতার মা বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নগরী বায়েজিদ থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়, সাইফুলকে গ্রেফতার করে ওসি কামরুজ্জামানের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দেওয়ায় ক্রসফায়ার নাটক করে পায়ে গুলি করেন ওসি।
গতকাল রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর আদালতে এ মামলা করেন সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলামের মা চেনোয়ারা বেগম (৫০)। এ ঘটনায় পুলিশ কমিশনারকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

বায়েজিদ থানার তৎকালীন ওসি কামরুজ্জামান ছাড়াও আসামিরা হলেন- বায়েজিদ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মেহের অসীম দাস, মো: সাইফুল ইসলাম, এএসআই মো: রবিউল হোসেন, এসআই কেএম নজিবুল ইসলাম তানভীর, এসআই নূরুল ইসলাম। নবী ও বায়েজিদ আমিন জুট মিল এলাকার বাসিন্দা। শাহজাহান ওরফে আকাশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৬ জুন রাতে পুলিশের সোর্স আকাশ নগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সম্পাদককে ফোন করে। জরুরী কাজে সাইফুল ইসলামকে অক্সিজেন এলাকার হোটেল জামানে দেখা করতে বলেন। সাইফুল সেখানে যাওয়ার পর কামরুজ্জামানসহ পুলিশ সদস্যরা তাকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায় বায়েজিদ থানার ওসি মো. এ সময় তারা সাইফুলের মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে বেলা ১টার দিকে বায়েজিদকে লিংক রোড এলাকায় নিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাইফুল চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ওসি কামরুজ্জামান তার পায়ে গুলি করেন। এসময় এসআই মেহের অসীম দাসও সাইফুলের পায়ে গুলি করেন।
পায়ে রক্তক্ষরণের কারণে জ্ঞান হারান সাইফ। পরে জ্ঞান ফিরলে বুঝতে পারেন তার বাম পায়ে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে এবং তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে সাইফুলকে ঢাকা জাতীয় প্যারালিম্পিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার পা কেটে ফেলা হয়। পরে সাইফুলের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধারের মিথ্যা অভিযোগে চালান জারি করা হয়।

চেনোয়ারা বেগম বলেন, আরেক ছেলে ড. মিথ্যা ও গায়েবি একাধিক মামলায় রাজনীতির কারণে জেলে আটকও রয়েছেন সবুজ। আমার পরিবারের সদস্যরা জীবনে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আমার অন্য ছেলেদেরও অপহরণ, হত্যা ও গুম করার হুমকি দিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আক্রোশ এমন একটি ধ্বংসাত্মক জিনিস যা মুহূর্তের মধ্যে সব কিছু শেষ করে দিতে পারে। াক্রোশ মানুষকে নিয়ে যেতে পারে চিত্তবৈকল্যের সর্বশেষ সীমানায়। আর সেই অবস্থায় মানুষ অপরিমেয় ক্ষতিসাধন ঘটায়, সেটা নিজের হোক বা অন্য কারোর।

About admin

Check Also

ইসলাম বিদ্বেষী নাদের খান দম্পতিকে গ্রেফতারের আহ্বান

মসজিদের আজান মসজিদেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে চিটাগাং ক্লাবের সভাপতি ইসলাম বিদ্বেষী নাদের খান ও তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *