যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী চীনের ইউয়ান

যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশার চেয়ে মূল্যস্ফীতি ধীর হয়েছে। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, মূল্যস্ফীতি ধীর হওয়ার কারণে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) তুলনামূলক কম হারে সুদ বাড়াবে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে চীনের মুদ্রা ইউয়ানের মান বেড়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি ধীর হওয়ার কারণে ডলারের মূল্য স্থিতিশীল থাকবে কিংবা নিম্নমুখী হবে। মূলত এ কারণেই মার্কিন মুদ্রার বিপরীতে ইউয়ানের দাম বেড়েছে। ব্যবসাভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নাসডাক ও বিজনেস রেকর্ডারের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১২ আগস্ট) সকালে স্পট মার্কেটে প্রতি ডলার বিক্রি হয় ৬ দশমিক ৭৪৪০ ইউয়ানে। দুপুরে তা হাতবদল হয় ৬ দশমিক ৭৩৫৫ ইউয়ানে। আগের সেশনের তুলনায় যা ৯৫ পাইপ বেশি।
দুপুরের মতো রাতেও এ ধারা অব্যাহত থাকলে ডলারের বিপরীতে ইউয়ানের দর বৃদ্ধি পাবে শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে গত জুনের পর যা সর্বোচ্চ স্তরে গিয়ে ঠেকবে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির ডেটা প্রকাশের পর ডলার দুর্বল হয়েছে। ফলে অধিক শক্তিশালী হয়েছে ইউয়ান। তবে এটা প্রত্যাশা করা হয়নি। মার্কিন মূল্যস্ফীতির তথ্য ব্যবসায়ীদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে এরপরও ৭৫ বেসিস পয়েন্ট সুদহার বাড়াবে ফেড বলে মনে করছেন না তারা। আগামী সেপ্টেম্বরে বৈঠকে বসবেন মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি-নির্ধারকরা। সেখানেই এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

About admin

Check Also

পারমাণবিক স্থাপনার তালিকা বিনিময় করল ভারত-পাকিস্তান

ভারত ও পাকিস্তান একযোগে তাদের দেশের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর তালিকা ও তথ্য বিনিময় করেছে। সেই সঙ্গে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *